হামে আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ বেড়েছে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ওয়ার্ড, কেবিন ও বারান্দায় জায়গা না পেয়ে অনেক রোগী মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
৫০ শয্যার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ রোগীদের পাশাপাশি হামে আক্রান্ত ৩৪ শিশু ভর্তি রয়েছে, অথচ হামের ওয়ার্ডে শয্যা মাত্র ১৫টি। ওয়ার্ডটি একসময় করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল।
সাগুরিয়া এলাকার হেলাল উদ্দিন তিন মাসের শিশু ফাতেমাকে নিয়ে হাসপাতালে এসে প্রথমে শয্যা পাননি; পরে এক রোগী চলে গেলে শয্যা মেলে। তিনি জানান, এলাকায় হামের টিকা নিয়ে কোনো মাইকিং বা প্রচারণা শোনেননি।
হাসপাতালের নার্স ইনচার্জ তিথী মন্ডল জানান, গত মাসে হামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সিট নেই। যে পরিমাণ রোগী আসছে, আমরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।’ স্বজনদের ভিড়ে পরিচ্ছন্নতা রক্ষা কঠিন হয়ে পড়ছে বলেও জানান তিনি।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শেখ মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, আগে হামের প্রভাব আরও বেশি ছিল, এখন কমছে। তবে শয্যা সংকটে কিছু সমস্যা হচ্ছে বলে স্বীকার করেন তিনি।
তথ্যসূত্র ও ছবি: আগামীর সময় (হাতিয়া প্রতিনিধি, ১ অক্টোবর ২০২৬)।











