ছবি (প্রতীকী): পুলিশের টহল গাড়ি — Shadman Samee / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে জেলা পুলিশের ১০ দিনের বিশেষ অভিযানে মোট ১ হাজার ১০৬ জনকে আটক করা হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ৯টি থানা এলাকায় এ অভিযান চলে। থানাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আটক হয়েছে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায়—২৮৯ জন।
জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য থানার মধ্যে বেগমগঞ্জে ১৮৩, কোম্পানীগঞ্জে ১৩১, সুধারামে ১২৫, চরজব্বরে ১১০, সোনাইমুড়ীতে ৯২, কবিরহাটে ৬০, চাটখিলে ৫৯ এবং সেনবাগে ৫৭ জনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৩ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৫৩ জন, নিয়মিত মামলায় ৭ জন, আগের মামলায় ১৩ জন, পরোয়ানাভুক্ত ২ জন এবং ১৫১ ধারায় ১ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ৪ জনকে সাজা দিয়েছেন, ২ জনকে সংক্ষিপ্ত বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের এই হিসাব জানিয়েছেন জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। নোয়াখালী জেলা পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন।
তথ্যসূত্র: ভোরের বাণী ও কালের কণ্ঠ (৮ অক্টোবর ২০২৬), নোয়াখালী জেলা পুলিশ










