ছবি (প্রতীকী): মেঘনায় মাছ ধরার নৌকা — Toushik.hamid / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার-ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে ৭ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে, চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদী ও সংলগ্ন সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের খাদ্যসহায়তা হিসেবে হাতিয়ায় ১৫ হাজার জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। এ জন্য মোট ৩৭৫ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা মৎস্য দপ্তর জানিয়েছে।
তবে সহায়তার আওতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মৎস্য দপ্তরের হিসাবে হাতিয়ায় নিবন্ধিত জেলে প্রায় ২৫ হাজার। আর স্থানীয়দের ভাষ্য, নিবন্ধনের বাইরে রয়েছেন আরও প্রায় এক লাখ মানুষ, যাঁদের জীবিকা সরাসরি নদী ও সাগরে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। ফলে বরাদ্দের তুলনায় প্রকৃত চাহিদা অনেক বেশি।
নিষেধাজ্ঞা ও সহায়তা বরাদ্দের এ তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দায়িত্বে থাকা ফয়জুর রহমান। নিষেধাজ্ঞাকালে কাজির বাজার, সূর্যমুখী, দানারদল, রহমত বাজার ও চেয়ারম্যান ঘাটসহ হাতিয়ার মাছঘাটগুলোতে ইলিশ ধরা ও কেনাবেচা বন্ধ থাকার কথা।
তথ্যসূত্র: ঢাকা মেইল (৭ অক্টোবর ২০২৬), উপজেলা মৎস্য দপ্তর, হাতিয়া











